চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস প্রতিনিধি
কোনো মূলার ওজন ৫ কেজি, আবার কোনোটি ১০ থেকে ১৫ কেজি পর্যন্ত। এক জোড়া মূলা ৫০ টাকা থেকে শুরু করে দেড়শ টাকা। বিশেষ এ মুলা চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। নাম তার ভান্ডারী মূলা। স্বল্প খরচে অধিক ফলন এবং বাজারে ভালো দামের কারণে এ মূলা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষ করে মাইজভান্ডার দরবার শরীফে গাউসুল আজম হযরত শাহসুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (রহ.)–এর বার্ষিক ওরশ শরীফকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর মাঘ মাসে ভান্ডারী মূলার চাহিদা তুঙ্গে ওঠে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রতি বছর ১০ মাঘ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো ভক্তবৃন্দ মাইজভান্ডারে সমবেত হন।
এ সময় ভান্ডারী মূলার সবচেয়ে বড় বাজার বসে। ওরশকে কেন্দ্র করে মূলা বিক্রি করেই অনেক কৃষক বছরের বড় একটি অংশের আয়ের ব্যবস্থা করে নেন।
কৃষকদের দাবি, দেশের অন্য কোথাও এত বড় আকারের মূলার উৎপাদন খুব একটা দেখা যায় না। একেকটি ভান্ডারী মূলার ওজন ১০ থেকে ১৫ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
ফটিকছড়ি উপজেলার হালদা নদী ও ধুরুং সত্তা খালের চরাঞ্চল এই মূলা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় এসব এলাকায় ব্যাপকভাবে আবাদ হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষক আবুল হোসেন বলেন, ভান্ডারী মূলা আকারে বড়, স্বাদে সুস্বাদু এবং দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য হওয়ায় বাজারে এর কদর বেশি। অন্যান্য সবজির তুলনায় এতে লাভও তুলনামূলক বেশি পাওয়া যায়।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) মাইজভান্ডার দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত ওরশ শেষে দিনভর হাজার হাজার মানুষ বড় আকারের মূলা কিনে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে।
Leave a Reply